Desh Bangla 24 News
সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলামী জীবন
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. প্রবাস
  9. ফিচার
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. মৌলভীবাজার
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল

শ্রীমঙ্গলে ফুটপাথ উদ্ধারে ফের উচ্ছেদ অভিযান

প্রতিবেদক
Desh Bangla 24
অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ

সোমবার শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত ও যানজট নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউর রহমান। এসময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম তার সাথে ছিলেন। – দেশবাংলা

স্টাফ রিপোর্টার

পর্যটননগরী শ্রীমঙ্গল পৌর শহরকে যানজটমুক্ত এবং পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচলের উপযোগী করতে প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ফুটপাত ও প্রধান সড়কে ধারাবাহিক উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট, ভ্রাম্যমাণ হকার এবং ভ্যানগাড়ি সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে বারবার অভিযান পরিচালনার মধ্য দিয়ে শহরের ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে সর্বশেষ গত ১৭ অক্টোবর শনিবার শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পৌর প্রশাসনের উদ্যোগে এবং পৌর বিএনপির সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুল ইসলাম। এ সময় ফুটপাতের ওপর থেকে হকার ও বিভিন্ন মালামাল এবং সড়কের ওপর থেকে হকারদের ভ্যানগাড়িগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়।


অভিযানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, দলের সদস্য সৈয়দ সালাউদ্দিন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন বকুল, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল আলমসহ অন্যরা।
পুজা সামনে রেখে শহরের ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখতে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা থেকে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত লেকজনকে কাজ করতে দেখা গেছে। ফলে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রোড ও হবিগঞ্জ রোডে স্বাভাবিক শৃংখলা দেখা গেছে।

আজ সোমবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযানে নামেন। এসময় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সাথে ছিলেন।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, দুর্গাপূজা ও পরবর্তী সময়ে শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত থেকে হকার ও সড়ক থেকে ভ্যানগাড়ি সরিয়ে দিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ফুটপাত ও সড়ক দখল করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হবে। শহরের যানজট নিরসন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

একাধিকবার অভিযান:
পৌর শহরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. ইসলাম উদ্দিনের নেতৃত্বে স্টেশন রোড, মৌলভীবাজার রোড ও হবিগঞ্জ রোডসহ বিভিন্ন প্রধান সড়কে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই বছরের ৩০ জুন স্টেশন রোড, ভানুগাছ রোড ও চৌমুহনা এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করতেও অভিযান চালানো হয়েছিল।

চলতি বছরের ৯ এপ্রিল পৌরসভার উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। এর পরও ৩ আগস্ট পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর শহরের ব্যস্ততম স্টেশন রোড ও হবিগঞ্জ রোডে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের দায়ে মোট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া গত আগস্টে স্টেশন রোড, ভানুগাছ রোড, কলেজ রোড, হবিগঞ্জ রোড ও মৌলভীবাজার রোডে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার খবর প্রকাশিত হয়। এসব অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধ ভাসমান দোকান ও প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে শহরের সৌন্দর্য রক্ষা এবং যানজট কমানো।

ভোগান্তিতে পথচারীরা
শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে শহরের প্রধান সড়কগুলো ব্যবহার করতে হয়। ফুটপাত দখল হয়ে গেলে পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে যানবাহনের সঙ্গে পথচারীদের চলাচল মিশে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে। অন্যদিকে সড়কের ওপর ভ্যানগাড়ি ও পণ্যসামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনা করলে যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়।

বিশেষ করে স্টেশন রোড, ভানুগাছ রোড, চৌমুহনা, কলেজ রোড, হবিগঞ্জ রোড ও মৌলভীবাজার রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের স্বাভাবিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এসব সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা গেলে পথচারীদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।

অভিযান কতটা স্থায়ী সমাধান দেবে?

বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযান পরিচালনার তথ্য থেকে স্পষ্ট, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখা পৌর প্রশাসনের জন্য একটি চলমান চ্যালেঞ্জ। উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং বিকল্প ব্যবসার জায়গা নির্ধারণের মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোথায় কতটি বিকল্প স্থান প্রয়োজন কিংবা কোন এলাকায় কতটা দখল রয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো কঠিন।

নগর ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেই স্থায়ীভাবে যানজট নিরসন সম্ভব নয়। উচ্ছেদের পর আবার যাতে ফুটপাত ও সড়ক দখল না হয়, সে জন্য নিয়মিত নজরদারি এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা ও পথচারীদের চলাচলের অধিকার—দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাও জরুরি।

শ্রীমঙ্গলকে পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল ও পথচারীবান্ধব পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের চলমান উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, তা নির্ভর করবে অভিযান-পরবর্তী পরিস্থিতি ধরে রাখা এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার ওপর।

সর্বশেষ - শ্রীমঙ্গল

আপনার জন্য নির্বাচিত
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শ্রীমঙ্গলে বিজিবির ড্রোন – শারদীয় সুরক্ষা এ্যাপ

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শ্রীমঙ্গলে বিজিবির ড্রোন – শারদীয় সুরক্ষা এ্যাপ

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা, মাসের ২০-২৫ তারিখে

ব্রিটেনের অভিবাসন ও আশ্রয়ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ

সীমান্তের ৬৪ পূজামণ্ডপে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আসুন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে একসঙ্গে কাজ করি – হাজী মুজিব

শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট, চিকিৎসাসেবায় ভোগান্তি

শ্রীমঙ্গলে পূজার নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি

শ্রীমঙ্গলে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ

সামনে বিদ্যুৎ! তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি- চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা