Desh Bangla 24 News
রবিবার , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলামী জীবন
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. প্রবাস
  9. ফিচার
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. মৌলভীবাজার
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল

কানাডা পাঠানোর নাম করে ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রতিবেদক
Desh Bangla 24
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ

গ্রেফতারকৃত নার্গিস বেওয়া ওরফে সালমা আক্তার। ছবি: সংগ্রহীত

দেশবাংলা ডেস্ক

কানাডার একটি কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন ও জাল  ডকুমেন্টস সৃষ্টি করে ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের এক নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। শনিবার দিবাগত রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের প্রকৃত পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডির একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার নারীর নাম নার্গিস বেওয়া ওরফে সালমা আক্তার (২৬)। তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানাধীন নয়নখাল উত্তপাড়ার মৃত ছকমল হোসেনের মেয়ে। নয়নখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মামলার আলামত হিসেবে তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদীর সঙ্গে কানাডার একটি কোম্পানিতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে মোট ৩০ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি করেন ওই অভিযুক্ত নারী। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৮ মে থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৮১ হাজার ৮৯০ টাকা এবং নগদ ও রকেটের মাধ্যমে আরো ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১০ টাকা—সবমিলিয়ে ২০ লাখ ১০ হাজার ৭০০ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

টাকা গ্রহণের পর অভিযুক্তরা কানাডায় যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র তৈরি করে বাদীর কাছে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে ওই কাগজপত্র নিয়ে কানাডা দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে যাচাই-বাছাই শেষে সেগুলো ভুয়া বলে বাদীকে জানানো হয়। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী বাদী কাফরুল থানায় পেনাল কোডের ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০৩, তারিখ: ০৭/১১/২০২৫)।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্ত নারীসহ চক্রের অন্য সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে এবং তা আসল হিসেবে ব্যবহার করে বাদীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি তার প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্য ও মামলার সার্বিক বিশ্লেষণ করে তার প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

আত্মসাতকরা অর্থের সম্পূর্ণ পরিমাণ, অর্থের গতিপথ এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রাখা হয়েছে জানাশ সিআইডি।

সর্বশেষ - শ্রীমঙ্গল