Desh Bangla 24 News
রবিবার , ৪ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলামী জীবন
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. প্রবাস
  9. ফিচার
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. মৌলভীবাজার
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল

উচ্চ শুল্ক : অস্থিতিশীল বিদেশী ফলের বাজার

প্রতিবেদক
Desh Bangla 24
অক্টোবর ৪, ২০২৬ ১:১২ অপরাহ্ণ

দেশ বাংলা ডেস্ক

ট্যারিফ কমিশনের উত্থাপিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশে কেজি প্রতি কমলার দাম ২৫০-৩৫০ টাকা। ভারতে এর দাম ৯০-১৫০, পাকিস্তানে ৭০-১২০ ও নেপালে ১২০-১৭০ টাকা। আঙুরের দাম বাংলাদেশে ৩০০-৪৫০ টাকা হলেও ভারতে ১৩০-২০০ ও পাকিস্তানে ১০০-১৬০ টাকা। সাধারণ খেজুরের দাম বাংলাদেশে কেজিপ্রতি ২৫০-৪৫০ টাকা। ভারতে তা ১৬০-২৬০ ও পাকিস্তানে ১২০-২০০ টাকা।

দেশের বাজারে এসব ফলের উচ্চমূল্য ও বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার পেছনে তিনটি কারণ তুলে ধরে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। এগুলো হলো তাজা ফলকে জরুরি পুষ্টিপণ্য হিসেবে বিবেচনার পরিবর্তে বিলাসদ্রব্যের শ্রেণীতে রেখে উচ্চ করারোপ, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রকৃত বুকিং দরের তুলনায় কাস্টমসে বেশি শুল্কায়নযোগ্য মূল্য নির্ধারণ এবং সীমিত আমদানিকারক, পরিবহন ও বন্দর-সংক্রান্ত জটিলতা ও হিমাগার সংকটের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধা। ফলে আমদানিনির্ভর এসব ফল কয়েক হাত বদল হয়ে ভোক্তার কাছে পৌঁছতে ৩০০-৩৬০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বেড়ে যায়।

কমিশনের উপস্থাপনা অনুযায়ী, বিদ্যমান কাঠামোয় ফল আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, ২০-৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর, ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ও পণ্যের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ শতাংশ অগ্রিম কর রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট কর-শুল্ক গুনতে হয় ৯৬ দশমিক ১০ থেকে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে উচ্চ শুল্কহার ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় আমদানীকৃত ফলের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ফলে ভোক্তাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফআইএ) নেতা শহিদুল ইসলাম জনি জানান, ‘অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে আপেল, মাল্টা, আঙুর, খেজুরসহ আমদানীকৃত ফলের ওপর শুল্ক-কর অনেক বেশি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মোট শুল্ক-কর প্রায় ১২২ শতাংশ পর্যন্ত হয়। পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায়ও শুল্ক অনেক বেশি। উচ্চ শুল্কের কারণে আমদানীকৃত ফলের দাম স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। তিনি
আমদানীকৃত ফলকে বিলাসবহুল আইটেম হিসেবে বিবেচনা করে উচ্চ শুল্কারোপের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা দরকার বলে মনে করেন এ ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, ‘শুল্ক কমিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হলে আমদানিকারকদের জন্য ব্যবসা সহজ হবে এবং ভোক্তারাও তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে ফল কিনতে পারবে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয়সীমার মধ্যে এসব ফল নিয়ে আসা সম্ভব হবে।’

মাল্টা আমদানিতে এ সময় বিকল্প উৎস খোঁজার তাগিদ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পাশাপাশি দ্রুত এলসি খুলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাজারে ফলটির সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়টি পর্যালোচনার কথা জানান।

দেশে আমদানীকৃত অন্যতম আরেকটি ফল খেজুর। এ ফলেও বড় অংকের শুল্ক গুনতে হয় ব্যবসায়ীদের। ফলে সাধারণ খেজুর বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশে ২৫০-৪৫০ টাকায়। অথচ ভারতে ১৬০-২৬০, পাকিস্তানে ১২০-২০০ ও নেপালে এর দাম ১৮০-২৮০ টাকা। দেশে সাধারণ খেজুরের দাম কিছুটা কম থাকলেও একটু ভালো মানেরগুলো বিক্রি হয় এক হাজার থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়।

বাজারে ফলের দাম বাড়লে সেটি ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপের পাশাপাশি পুষ্টিগুণে ঘাটতি তৈরি করতে পারে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ফলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাদ্যপণ্যে এত উচ্চ করভার ভোক্তার ওপর সরাসরি চাপ তৈরি করছে। যেসব ফলের স্থানীয় উৎপাদন খুবই সীমিত, সেগুলোর আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপ করে দেশীয় উৎপাদককে সুরক্ষা দেয়ার সুযোগ নেই, বরং কর বাড়লে আমদানিকারকের ব্যয় বাড়ে, আমদানি কমে এবং সরবরাহ সংকট তৈরি হয়। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে গিয়ে পড়ে। তাই রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা, পুষ্টি ও বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ফল আমদানিতে শুল্ক পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ফলের ওপর ট্যাক্স এত বেশি হলে স্বাভাবিকভাবেই এর চাপ ভোক্তাদের ওপর পড়ে। ফল মানুষের প্রয়োজনীয় খাদ্যের একটি অংশ এবং পুষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশু ও রোগীদের জন্য ফল খুব উপযোগী। কিন্তু ট্যাক্সের কারণে ফলের দাম বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা কেনা কঠিন হয়ে যায়। দেশে ফলের চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু উচ্চ ট্যাক্সের কারণে দামও বাড়ছে, যা অনেকের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। তাই ফলের ওপর ট্যাক্স যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং কমানো দরকার।’

অনেক ক্রেতা জানিয়েছেন, ‘সরকার কেবল রাজস্ব বিবেচনায় নিবে। গরীবের ক্রয়ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার কৌশল। এসব ফল সৌখিন ফলের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কারনে কেবল সৌখিন আর বিত্তশালীরাই এই ফল খেতে পারছে। এটা সরকারের জনস্বার্থ বিরোধী একটি সিদ্ধান্ত।’

সর্বশেষ - শ্রীমঙ্গল

আপনার জন্য নির্বাচিত

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরি, ৪০ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ

সামনে বিদ্যুৎ! তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি- চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা

শ্রীমঙ্গলে বইপড়া উৎসবের সমাপ্তি : ২৫ হাজার শিক্ষার্থীকে বইমুখী করার প্রত্যাশা

শ্রীমঙ্গলে চালকের বুদ্ধিমত্তায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

১৩ কোটি ভারতীয় নিজ দেশেই ‘বিদেশী’

বিবদমান ধানি জমি (বায়ে) থানায় দায়ের করা অভিযোগপত্র (ডানে)। -ছবি দেশবাংলা।

শ্রীমঙ্গলে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ ইউপি সদস্যার বিরুদ্ধে

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শ্রীমঙ্গলে বিজিবির ড্রোন – শারদীয় সুরক্ষা এ্যাপ

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শ্রীমঙ্গলে বিজিবির ড্রোন – শারদীয় সুরক্ষা এ্যাপ

শ্রীমঙ্গলে পৃথক অভিযানে ২৬ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ

সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের দফায় দফায় হামলা

শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিক সমাবেশ এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও স্বাধীন তদন্ত দাবী