
স্টাফ রিপোর্টার
শ্রীমঙ্গল শহরের গুরুত্বপূর্ণ গুহ রোড থেকে সব ধরনের কুরিয়ার, পর্সেল ও ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি অফিস অন্যত্র সরিয়ে নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে (যার স্মারক নং
শ্রী/পৌ/89/২৬/১৭২৫) এই নির্দেশনা দেয়া হয়।
এতে বলা হয় ‘ শ্রীমঙ্গল পৌরসভার গুহ রোড একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী সড়ক। সড়কটির উভয় পাশে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি -বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। ফলে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহনের চলাচল করে।
গুহ রোডে অবস্থিত বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিস/ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির কার্যালয়ে পণ্য ও পার্সেল ওঠানামা, যানবাহন থামানো এবং মালামাল লোড- আনলোডের কারণে সড়কে প্রায়ই যানজট ও জনচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সড়কের সার্বিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। শ্রীমঙ্গল পৌরসভার যানজট নিরসন, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং গুহ রোডের স্বাভাবিক পরিবেশ ও সড়ক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখার স্বার্থে উক্ত সড়ক থেকে কুরিয়ার সার্ভিস/ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির কার্যালয়সমূহ পর্যায়ক্রমে শহরের উপযুক্ত অন্য কোনো স্থানে স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।
এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের গৃহীত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে , জনস্বার্থে প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে গুহ রোডে এআরজে পার্সেল এন্ড কুরিয়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ পার্সেল, সুন্দরবন পার্সেল, জননী ট্রান্সপোর্টসহ বেশ কয়েকটি পরিবহন সংশ্লিষ্ট অফিস রয়েছে।
বাংলাদেশ পার্সেল সার্ভিস এর ম্যানেজার দিপঙ্কর বিশ্বাস জানান, দীর্ঘ ৮ বছর হলে আমরা এই রোডে পার্সেল সার্ভিস ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমাদের কাভার্ড ভ্যানগুলো অফিসের নিজস্ব পার্কিং জায়গায় লোড আনলোড করা হয়। মেইন সড়কে গাড়ী রাখার প্রয়োজন হয় না। এমন অবস্থায় পৌরসভা থেকে অফিস স্থানান্তরের চিঠি পেয়েছি।

















