Desh Bangla 24 News
শুক্রবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অন্যান্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলামী জীবন
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. তথ্যপ্রযুক্তি
  8. প্রবাস
  9. ফিচার
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. ভ্রমণ
  13. মৌলভীবাজার
  14. রাজনীতি
  15. লাইফস্টাইল

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে তারেক রহমানের বিশ্ব শান্তির আহ্বান

প্রতিবেদক
Desh Bangla 24
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬ ৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

এবারই প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় ভাষণ দেন তারেক রহমান। তার এই ভাষণ জিয়া পরিবারের সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পৃক্ততার একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত করেছে। জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে নতুন এক ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশের তারেক রহমান।
বিশ্ব সংস্থাটির এবারের অধিবেশনে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেখানো পথে শান্তিময় বিশ্বের প্রত্যাশার কথা বিশ^বাসীর কাছে তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলা ভাষায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা একটি শান্তিময় বিশ্ব, এমন একটি মানবিক বিশ্ব সমাজ, যেখানে মারণাস্ত্র নয় বরং পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা। একে অপরের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতিসংঘকে দেখতে চায় বাংলাদেশ।’
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন। তিনি শান্তি, মানবিক মুল্যবোধ, সাম্য মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং দেশগুলোর পারস্পরিক দায়িত্ববোধের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এর তেরো বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মা ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভাষণ দেন। জাতিসংঘের নথিপত্র অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তিনি মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ সভা, ২০০২ সালে শিশুদের বিষয়ক ২৭তম বিশেষ অধিবেশন এবং ২০০৫ সালে ৬০তম অধিবেশন চলাকালীন দুটি পৃথক সভায় ভাষণ দিয়েছিলেন।
বিশ্বমঞ্চে দাড়িয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘এই মুহূর্তে, আজ আমি কিছুটা স্মৃতিকাতর। এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েই, আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া, দেশ এবং জনগণের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিলেন। একইভাবে, আজ আমিও, আমার দেশ এবং জনগণের স্বার্থের পক্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব সমাজের প্রত্যাশায় এখানে দাঁড়িয়েছি।’

ড. খলিলুর রহমানকে বিশ্বসভায় অভিনন্দন : তারেক রহমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করায় বাংলাদেশের এই অধিবেশন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণও বটে। ভাষণে খলিলুর রহমানকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায়, আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়, আপনাকে সম্পূর্ণভাবে সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। একই সঙ্গে আমি বিদায়ী সভাপতি, ম্যাডাম এনালেনা বেয়ারবককেও তার সুযোগ্য নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

সমঝোতামূলক বিশ্ব প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকার প্রত্যাশ্যা : মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ সংঘাতময় বিশ্বের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গ্লোবালাইজেশনের এই সময়ে বিশ্বের যে প্রান্তে যা কিছুই ঘটুক, প্রতিটি রাষ্ট্রেই কমবেশি এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানব সৃষ্ট বিরাজমান সংঘাতের ফলে, বর্তমানে অনেক দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ছে। তৈরি হচ্ছে মানবিক সংকট। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি তীব্র চাপের মুখে রয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।
মু/র

 

সর্বশেষ - শ্রীমঙ্গল